মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বৃদ্ধিতে কুয়েত ও বাহরাইনে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার ইরানের বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি) আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্যের কথা জানিয়েছে। কুয়েত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং লবণাক্ত পানি পরিশোধন কেন্দ্রগুলোতে ইরান পুনরায় হামলা চালিয়েছে, যার ফলে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
কুয়েতের বিদ্যুৎ, পানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, টানা চতুর্থ দিনের মতো এ ধরনের হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে বেশ কয়েকটি স্পর্শকাতর স্থানে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়। দমকল বাহিনীর প্রচেষ্টায় আগুন দ্রুত নিভিয়ে ফেলা সম্ভব হলেও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা হচ্ছে এবং দ্রুত মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে।
এদিকে ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা মঙ্গলবার কুয়েতে অবস্থিত তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। একই সাথে জর্ডানের একটি মার্কিন সামরিক স্থাপনাতেও তারা হামলা চালিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতেও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে ওই ঘাঁটিতে ধারাবাহিক ড্রোন হামলা চালানো হয়।
ইরানের দাবি, এই ঘাঁটিটি তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর উৎক্ষেপণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। পাশাপাশি ইরানের বিপ্লবী গার্ডস দাবি করেছে, তারা বাহরাইনে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। তবে বাহরাইনের সরকারের পক্ষ থেকে এই দাবির কোনো আনুষ্ঠানিক সত্যতা বা নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।











