সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির কার্যক্রম খুব শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে। শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এই আশ্বাসের কথা জানান।

নরসিংদী-১ আসনের সরকারি দলের সদস্য খায়রুল কবির খোকনের করা এক প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একটি রিট পিটিশন সম্প্রতি নিষ্পত্তি হওয়ায় এখন পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু করার পথ পুরোপুরি প্রশস্ত হয়েছে। এর ফলে যোগ্য সহকারী শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদগুলো এখন নিয়মতান্ত্রিক পদোন্নতির মাধ্যমেই পূরণ করা হবে। তিনি জানান, পূর্বের নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক পদের মাত্র ৬৫ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হতো। তবে নতুন নিয়োগ বিধিমালায় এই হার বাড়িয়ে ৮০ শতাংশ করা হয়েছে, যা শিক্ষকদের পেশাগত উন্নতির সুযোগ আরও বৃদ্ধি করবে।

আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, নতুন বিধিমালা প্রণয়ন করা হলেও হাইকোর্টে মামলা বিচারাধীন থাকার কারণে পদোন্নতির কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছিল। বর্তমানে আইনি জটিলতা সম্পূর্ণ দূর হওয়ায় নতুন বিধিমালা অনুযায়ী ৮০ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক মানোন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।