নির্বাচনী ইশতিহারে প্রতিশ্রুতি দেওয়া ‘১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী’ নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এই লক্ষ্য অর্জনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তরে বর্তমানে কর্মরত জনবল এবং শূন্যপদের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রশাসন-৩ (মনিটরিং ও সমন্বয়) শাখা থেকে এই সংক্রান্ত একটি জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়।

সরকার প্রদত্ত এই নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, নির্বাচন-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা বিভিন্ন অধিদফতর, সংস্থা ও বিভাগে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তালিকা এবং শূন্য পদের পদভিত্তিক বিস্তারিত তথ্য জরুরি ভিত্তিতে প্রেরণ করতে হবে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মন্ত্রণালয় একটি স্বচ্ছ ও পূর্ণাঙ্গ জনবল কাঠামো তৈরি করতে চায়, যাতে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি আরও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সব দফতর ও সংস্থাকে আগামী ৯ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে অনুমোদিত পদের মোট সংখ্যা, বর্তমানে কর্মরত জনবলের হিসাব এবং শূন্য পদের হালনাগাদ তথ্য একটি নির্ধারিত ছকে প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রশাসন-৩ শাখায় হার্ড কপি এবং নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় সফট কপি হিসেবে জমা দিতে হবে।

এই নির্দেশনার আওতায় স্বাস্থ্য অধিদফতর, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর), সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোরস ডিপো (সিএমএসডি) সহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সকল দফতর ও সংস্থাকে যথাযথভাবে তথ্য প্রদান করতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ জানিয়েছে, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়ের অধীন জনবল কাঠামো এবং শূন্য পদের একটি পূর্ণাঙ্গ ও হালনাগাদ চিত্র প্রস্তুত করা হবে। এই চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি নির্বাচন-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হবে। সূত্র: বাসস।