বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন এক সময়ের মিডিয়াম পেসার হিসেবে দেশের হয়ে বেশ কিছু ঐতিহাসিক জয় উপহার দিয়েছেন। তবে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বোলিংয়ের গতি নিয়ে নানা ধরনের ট্রোল বা ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যের শিকার হচ্ছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই সমালোচনা এবং ট্রোল নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক।

নিজের সময়ের বোলিংয়ের প্রসঙ্গ টেনে সুজন জানান, বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের প্রেক্ষাপটে তিনি ১৩৫ থেকে ১৩৭ কিলোমিটার গতিতে বল করতেন। তাই তাকে নিয়ে কেউ ‘গতিদানব’ বলে ব্যঙ্গ করলেও তিনি বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন না। এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুজন বলেন, ‘আমার তো ফেসবুক নেই। মাঝে মাঝে ইউটিউবে হয়তো এসব দেখতাম। বন্ধুরা আমার সঙ্গে মজা নিত, বলত— এই তোর নামে এটা-ওটা বলছে। আমি তাদের বলতাম, তোমরা মজা নিও না। আমাকে বলে গতিদানব, আমি তো গতিদানবই! এতে সমস্যা কোথায়?’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমি ১৩৭ কিমি গতিতে বল করেছি। সেই সময়ে বাংলাদেশের খুব কম বোলারই ১৩৭ কিমি গতিতে বল করতে পারতেন। আমার সর্বোচ্চ গতি ছিল ১৩৫-১৩৭ কিমি। যারা আমাকে ট্রোল করছে, তারা সম্ভবত আমার খেলা অনেক পরে দেখেছে।’

ক্যারিয়ারের শেষ দিকে অবশ্য বোলিংয়ের ধরন কিছুটা পরিবর্তন করেছিলেন সুজন। তিনি বলেন, ‘যখন আমি পেস কমিয়ে কাটার ও স্লোয়ার ডেলিভারিতে বেশি মনোযোগী হয়েছি, তখন স্লোয়ার বল বেশি করতাম। এমনকি চামিন্দা ভাসও ১৪০ কিমি গতিতে যেমন বল করেছেন, তেমনি ১১৫ কিমি গতিতেও করেছেন। এগুলো নিয়ে রাগ করার কিছু নেই। কথায় আছে না, রেগে গেলে হেরে যাওয়া যায়। আমি রাগ করে কী করবো? আসলে এসব সমালোচনা বা ট্রোলকে আমি স্বাভাবিকভাবেই নিই।’