দুই গোলে পিছিয়ে পড়া, তার ওপর দলের একজন খেলোয়াড় কম; আল-নাসরের জন্য ম্যাচটি তখন প্রায় হাতের বাইরে মনে হচ্ছিল। কিন্তু সেখান থেকে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে আল-ইত্তিফাককে পরাজিত করে মাঠ ছাড়ে তারা। এই নাটকীয় জয়ের পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ফুটবল কিংবদন্তি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সৌদি সাংবাদিক খালিদ আল-শানিফের দাবি, ড্রেসিংরুমে ফিরে এই জয়ের খুশিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন পর্তুগিজ তারকা।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে প্রথমবারের মতো আল-নাসরের শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন ৪১ বছর বয়সী রোনালদো। তবে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার পর কোচ আঞ্জে পস্তেকোগলু তাকে মাঠ থেকে সরিয়ে নেন এবং তার পরিবর্তে মাঠে নামান আবদুল্লাহ আল-খাইবারিকে। রোনালদোর এই বদলি নিয়ে ফুটবল মহলে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। সৌদি সাংবাদিক খালিদ আল-শানিফের দাবি, শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত না থাকায় বিরতির সময় রোনালদো নিজেই মাঠ ছাড়ার অনুরোধ করেছিলেন। তবে সতীর্থদের লড়াই এবং শেষ পর্যন্ত জয় ছিনিয়ে নেওয়ার দৃশ্যটি তাকে আবেগপ্রবণ করে তোলে।

আল-নাসরের এই প্রত্যাবর্তন ছিল সত্যিই রোমাঞ্চকর। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া এবং দুই গোলে পিছিয়ে থাকার প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় তারা। শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে সৌদি ক্লাবটি। তবে রোনালদোকে বদলি করার বিষয়ে ভিন্ন মত পোষণ করেছেন কোচ পস্তেকোগলু। তার ভাষ্যমতে, ম্যাচ শুরুর আগে থেকেই রোনালদোর জন্য মাত্র ৪৫ মিনিট খেলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আগের ম্যাচে তিনি ৩০ মিনিট খেলেছিলেন, তাই ধীরে ধীরে তাকে ম্যাচ ফিটনেসে ফেরানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পস্তেকোগলু আরও জানান, দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর রোনালদো আরও কিছুক্ষণ মাঠে থাকতে চেয়েছিলেন, তবে দলের স্বার্থে এবং তার শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে বদলি করার সিদ্ধান্তটিই সঠিক ছিল বলে তিনি মনে করেন।