বরিশাল যাওয়ার পথে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার বরইতলা নামক স্থানে সংক্ষিপ্ত বিরতি দেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সকালে ওই স্থানে পৌঁছানোর পর তিনি সেখানে উপস্থিত গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং ফরিদপুর বিভাগীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান মোল্লাকে তাঁর গাড়িতে আমন্ত্রণ জানান। নির্দেশ পাওয়ার পরপরই সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর বাসে আরোহণ করেন। তবে বাসের ভেতরে তাঁদের মধ্যে ঠিক কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু আলোচনা শেষে সেলিমুজ্জামান মোল্লা পুনরায় বাস থেকে নেমে আসেন।

বরইতলা এলাকায় শত শত দলীয় নেতাকর্মী তাঁদের প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানাতে এবং শুভেচ্ছা জানাতে ভিড় জমিয়েছিলেন। উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক শরীফ রাফিকুজ্জামান, জেলা বিএনপি সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মো. মাহমুদ কবির আলী, জেলা বিএনপি নেতা এম. মাহবুব আলী সোহেল, আজিজুর রহমান বেনো এবং জিয়াউল কবীর বিপ্লব। সেই সঙ্গে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শিকদার শহীদুল ইসলাম লেনিন, সাধারণ সম্পাদক ফজলুল কবির দারা, জেলা যুবদল সভাপতি রিয়াজুদ্দিন লিপটন, মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম, সেক্রেটারি তারিকুল ইসলাম রাজু এবং কাশিয়ানি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তফা মোল্লাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অসংখ্য নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

বাসের ভেতরে দাঁড়িয়ে থেকে তারেক রহমান বরইতলা এলাকায় সমবেত সকল বিএনপি নেতাকর্মীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন। প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার তীব্র আকাঙ্ক্ষায় গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি ও মুকসুদপুর-১ আসনের এমপি সেলিমুজ্জামানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ ভোর থেকেই সারিবদ্ধভাবে রাস্তার পাশে অপেক্ষা করছিলেন। নেতাকর্মীদের মাঝে বিরাজ করছিল চরম উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা। উপস্থিত সকলে মনে করেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের বীর সৈনিক এবং তারুণ্যের অহংকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে একটি দুর্নীতিমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। ইনশাআল্লাহ, এই লক্ষ্য অর্জনে তাঁরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।