যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টিতে নেতৃত্ব পরিবর্তনের গুঞ্জন এখন তুঙ্গে। দলের শীর্ষ পদে পরিবর্তনের সম্ভাবনার সাথে সাথে নতুন সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে তীব্র আলোচনা।
এরই প্রেক্ষিতে অ্যান্ডি বার্নহাম প্রধানমন্ত্রী হলে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদকে দেশের পরবর্তী অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। বার্নহামের ঘনিষ্ঠ মহলে শাবানা মাহমুদকে একজন অত্যন্ত দক্ষ ও দৃঢ়চেতা নেতা হিসেবে গণ্য করা হয়। মূলত দেশের অর্থনীতিতে জনগণের আস্থা ফেরানোর লক্ষ্যেই শাবানা মাহমুদের ওপর ভরসা রাখতে চাইছে দলের নীতিনির্ধারণী মহল।
সাবেক উপ-ক্যাবিনেট সচিব হেলেন ম্যাকনামারাও এক পডকাস্টে এই সম্ভাবনার কথা জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন। কয়েক সপ্তাহ আগে পর্যন্ত বর্তমান চ্যান্সেলর র্যাচেল রিভসের পদ বহাল থাকার কথা থাকলেও, বর্তমানে পরিস্থিতির নাটকীয় পরিবর্তন ঘটেছে। এই রদবদল সফল হলে ব্রিটিশ রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি হবে। শাবানা মাহমুদকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তর করা হলে স্বরাষ্ট্র দপ্তরেও নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজন দেখা দেবে। এই গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলির নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, কিয়ার স্টারমারের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে গত জুন মাসে জন হিলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন।
পাশাপাশি, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড মিলিব্যান্ডকেও হাউস অব লর্ডসের মাধ্যমে পুনরায় ক্যাবিনেটে ফিরিয়ে আনার গুঞ্জন জোরালো হচ্ছে। লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ এই নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিষয়টি এখন ব্রিটিশ মিডিয়ার প্রধান খোরাকে পরিণত হয়েছে। তবে অ্যান্ডি বার্নহাম বা লেবার পার্টির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে দল ও সরকারে নতুন গতি সঞ্চারের চেষ্টা করা হবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট











