মো হাফিজ

যশোর জেলা যুবদলের উদ্যোগে আগামী পহেলা আগষ্ট মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। সমাবেশে যুবদলের লোক সমাগম বাড়াতে ইতিমধ্যে জেলা যুবদল বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর যুবদল কে নিয়ে বর্ধিত সভা করছে।তারই আলোকে গত ২৭ জুলাই কেশবপুর উপজেলা ও পৌর যুবদলের প্রস্তুতি সভা, যুবদলের একটা বড় অংশকে বাদ দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।এ নিয়ে উপজেলা জুড়ে যুবদলের নেতা কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।জেলা প্রতিনিধি যশোর জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আশরাফুল কবির সুমনের উপস্থিতিতে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।এই বিষয়ে উপজেলার একাধিক নেতাকর্মী বলেন,বর্ধিত সভার বিষয়ে আমরা কিছু জানিনা, এবং শুনেছি যশোরে প্রস্তুতি সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে তখনও আমাদেরকে জানানো হয়নি, আরও বলেন বিগত ১৭ বছর আমরা

উপজেলা পৌর ও ইউনিয়নের শত শত নেতাকর্মী হামলা মামলাসহ নির্যাতিত হয়েছে শুধুমাত্র যুবদলকে ভালোবাসার জন্য।,যুবদলের সাধারণ নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যখন তারা এই বর্ধিত সভার কথা জেনেছে তারা খুবই কষ্ট পেয়েছে।আমরা এত বছর যুবদল করার জন্য নির্যাতিত হয়েছি, তারপরও কেন এত বৈষম্য আমরা জানতে চাই।উপজেলা যুবদলের নির্যাতিত আরেক কর্মী বলেন,কেশবপুরে যুবদলের বড় একাংশকে বাদ দিয়ে কিছু যুবদলের নেতাকর্মী নিয়ে এই বর্ধিত সভা,আমাদের না জানিয়ে গোপনে করায় আমাদের হৃদয়ে রক্ত ক্ষরণ হয়েছে।ওই বর্ধিত সভায় বিগত সময়য়ে আন্দোলন না করা অপরিচিত লোক দেখা যায়।কাদের নিয়ে কেশবপুর উপজেলা ও পৌর যুবদল পরিচালিত হচ্ছে আমরা সাধারণ যুবদলের কর্মীরা জানতে চাই। এই বিষয়ে কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাককে বর্ধিত সভা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,বর্ধিত সভার বিষয়ে উপজেলা বিএনপির কিছু জানে না।আমরাও বিভিন্ন সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছি।বিএনপির সহযোগী সংগঠনের কোন প্রোগ্রাম থাকলে উপজেলা বিএনপিকে জানানো হয়,কিন্তু এইবার আমাদেরকে জানানো হয়নি।