পেটের বিভিন্ন সমস্যা এবং দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ইসবগুলের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। সাধারণত আমরা এটি শুধু সাধারণ পানির সঙ্গে খেয়ে থাকি, তবে প্রয়োজন অনুযায়ী দুধ, দই, লেবুপানি কিংবা হালকা গরম পানির সঙ্গেও এটি গ্রহণ করা সম্ভব। ইসবগুল মূলত এক ধরনের উচ্চমানের দ্রবণীয় খাদ্যআঁশ, যা পানির সংস্পর্শে এলে দ্রুত ফুলে ওঠে এবং পানি ধরে রাখে। এর ফলে এটি মল নরম করতে এবং অন্ত্রের স্বাভাবিক সঞ্চালন প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
অ্যাসিডিটির কারণে পাকস্থলীতে জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি হলে ঠান্ডা দুধের সঙ্গে ইসবগুল মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে, যা পাকস্থলীর অ্যাসিডের প্রভাব কমিয়ে দ্রুত আরাম দিতে সহায়তা করে। অন্যদিকে, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় দইয়ের সঙ্গে ইসবগুল মিশিয়ে খেলে একদিকে যেমন প্রয়োজনীয় খাদ্যআঁশ পাওয়া যায়, তেমনি দইয়ের প্রোবায়োটিক অন্ত্রের সামগ্রিক স্বাস্থ্য রক্ষা করে এবং মলত্যাগ সহজ করে।
সন্ধ্যার ক্ষুধায় লেবুপানির সঙ্গে ইসবগুল মিশিয়ে খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা অনুভূত হয়, যার ফলে রাতে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং তা পরোক্ষভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে হালকা গরম পানির সঙ্গে ইসবগুল মিশিয়ে খেলে তা দ্রুত পানি শোষণ করে অন্ত্রের কার্যকারিতা সচল করে। তবে একটি বিষয় মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি যে, ইসবগুল সেবনের পাশাপাশি সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা অপরিহার্য, অন্যথায় এটি বিপরীত প্রভাব ফেলতে পারে।




















