প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জানিয়েছেন, অর্থনৈতিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকার যে শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছিল, তার আলোকে দুর্নীতি দমনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বর্তমান সরকার। সংসদ অধিবেশনের সূচনা বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার প্রবণতা সরকারের নজরে এসেছে। এই সমস্যা নিরসনে সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন সমীক্ষা যাচাই, প্রকল্প বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা এবং মাঠ পর্যায়ে নিবিড় তদারকি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

মেগা প্রকল্পগুলোতে অতিরিক্ত ব্যয়ের বেশ কিছু ঘটনা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি জানান, ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে দেশজুড়ে ১৫০টি নতুন গ্যাসকূপ খনন করা হবে। এছাড়া কুতুবজোনে একটি নতুন ভাসমান এলএনজি (LNG) টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে ৫৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার।