মালিকুজ্জামান কাকা
যশোরের শার্সা উপজেলার ১১ নং নিজামপুর ইউনিয়নবাসী সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তৃণমূলের বিএনপি নেতা মিজানুর রহমানের চেয়ারম্যান প্রার্থীতার পক্ষে তারা এই সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন করেন। শনিবার মাগরিব বাদ ২নং ওয়ার্ড কতবেলতলায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন অবসরপ্রাপ্ত চাকুরীজীবি কল্যাণ পরিষদ শার্সা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও নিজামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি মিজানুর রহমান।
প্রথমে সমাবেশে বক্তব্য দেন শার্সা অবসরপ্রাপ্ত চাকুরীজীবি কল্যাণ পরিষদ শার্সা শাখার সভাপতি আব্দুস সালাম গফ্ফার মাস্টার, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কামারুল ইসলাম, ২নং ওয়ার্ড নেতা মোহর আলী, আব্দুর রাহিম, মফিজুর রহমান, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি সফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক আকবর আলী প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ বলেন বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান তৃণমূলে জাতীয়তাবাদী চেতনায় মানুষকে উদ্বুদ্ধ করছেন। এ কারণে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমরা দুস্থ গরীবের সেবক মিজানুর রহমান কে চেয়ারম্যান প্রার্থী চাই।
সমাবেশস্থলে সাংবাদিক সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন ছোট নিজামপুরের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমান (৬৩)। তার মা মৃত খাইরুননেসা। ২০০৭ সালে সরকারি চাকুরী থেকে অবসরের পর তিনি জাতীয়তাবাদী চেতনার দল বিএনপিতে সক্রিয়। অনেক মামলা হামলা মেনে নিয়েও তিনি কখনো রাজপথ ত্যাগ করেননি। ইউনিয়নের ১৬ গ্রামে তার জনসেবায় সাধারণ মানুষ খুশি।
মিজানুর রহমান বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা বীর প্রতীক শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রেরণায় এবং খালেদা জিয়ার গণতন্ত্র ধারণ করেন। তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি সাধ্য মত গরীব সেবা, সুবিধা বঞ্চিতকে সহায়তা করেন। ধর্মীয় অনুষ্ঠান, দুস্থ গরীব কে বিভিন্ন সাহায্য, গরীব মেয়ে বিবাহে আর্থিক সহায়তা, খেলাধুলা প্রসার এ সম্প্রীক্ত। এই ধারাবাহিকতায় ২৯ অক্টোবর বাশাবাড়ি কেপি (কেরালখালি -পাড়িয়ার ঘোপ) বিদ্যালয় মাঠে 'খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট' এ প্রধান অতিথি হিসাবে পুরস্কার বিতরণ করেন।
শনিবার শতাধিক মানুষের সংবাদ সম্মেলনে মিজানুর রহমান বলেন, তিনি নিরলস মানুষের সেবায় দিন রাত গ্রামে গ্রামে যথারীতি হাজির থাকছেন। প্রানপন সেবা দিচ্ছেন পিছিয়ে পড়া মানুষকে। বিশেষ করে দুস্থ অসহায় কাউকে পেলেই তিনি আর্থিক সেবা করছেন। পাশাপাশি অন্য সেবা করছেন। কোন প্রতিদান প্রাপ্তির আশা তার নেই। তবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে জনসেবা করার সুদৃঢ় আশা তার। তিনি ঘরে ঘরে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষককার্ড, বিধবা কার্ড, বয়স্ক ভাতা, দরিদ্র সেবা নিশ্চিত করতে চান। একই সাথে কৃষকের সার যথাযথ সহজ প্রাপ্তিতে তিনি যথেষ্ট ভূমিকা রাখার আশাবাদ ব্যাক্ত করেন। শহীদ জিয়ার আদর্শ বিএনপি শার্সার নিজামপুর ইউনিয়নের ১৬ গ্রামে প্রতিষ্ঠিত করা তার প্রধান লক্ষ্য। সে লক্ষ্য সামনে রেখেই তিনি প্রানান্ত সেবার রাজনীতিতে সদা সক্রিয়। আশাবাদ ব্যাক্ত করেন ১১ নং নিজামপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে তিনি বিএনপির মনোনয়ন অর্জন করবেন।

















