নরসিংদীর পলাশ উপজেলা মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আয়োজিত এক দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান। বুধবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বর্তমান সরকারের কার্যক্রম এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, একটি সরকারের জন্য ছয় মাস সময় খুব বেশি নয়। তবে এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো একে একে বাস্তবায়ন করছেন। তিনি পলাশ উপজেলার উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে বলেন, এখানে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে জনগণের কল্যাণে যা করা হয়নি, বর্তমান সরকার মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে তার চেয়ে অনেক বেশি কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে দুস্থ ও দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, রাস্তাঘাটের সংস্কার এবং মসজিদ-মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে যে উন্নয়নমূলক কাজগুলো পরিচালনা করছেন, তার মূলে রয়েছে ইসলামের মহান আদর্শ। তিনি বলেন, দরিদ্র মানুষের সহায়তার জন্য প্রবর্তিত 'কৃষক কার্ড' এবং 'ফ্যামিলি কার্ড'-এর মতো উদ্ভাবনী পরিকল্পনাগুলো মূলত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শিক্ষা ও আদর্শ থেকে অনুপ্রাণিত। এই ধরনের মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমেই প্রধানমন্ত্রী দেশের পিছিয়ে পড়া মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাইছেন। ড. মঈন খান দৃঢ়ভাবে বলেন, আমরা বর্তমানে তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সঠিক পথেই এগিয়ে চলেছি।
পলাশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন ভূঁইয়া মিলটনের সঞ্চালনায় এই মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ড. আব্দুল মঈন খানের সহধর্মিণী ও দি মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটির চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট রোখসানা খন্দকার, নরসিংদী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, বিএনপি নেতা ফেরদৌস আহমেদ খোকন, নরসিংদী আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি সারোয়ার হোসেন মৃধা এবং নরসিংদী বাজার বণিক সমিতির সভাপতি বাবুল সরকারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য যে, মাহফিলে যোগ দেওয়ার আগে বুধবার দুপুরে ড. আব্দুল মঈন খান চরনগরদীতে নিজ বাড়ির পাশে পারিবারিক কবরস্থানে যান। সেখানে তিনি তার পিতা সাবেক খাদ্যমন্ত্রী মরহুম আবদুল মোমেন খান এবং মাতা খোরশেদা বানুর কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করেন।




















