মালিকুজ্জামান

উঠতি বয়সীদের পরিকল্পিতভাবে নেশায় জড়াচ্ছে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার লেবুজ্ঞাতি ইউনিয়নের ইত্যা গ্রামে। একটি কিশোর গং এই অসামাজিক তৎপরতায় জড়িত। জোর করে নেশা দ্রব্য খেতে বাধ্য করায় হজরত আলী নামের একজন কিশোর বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কদাচিৎ দু একবার তার জ্ঞান ফিরেছে কয়েক সেকেন্ড সময়ে। হজরতের পিতা মতিয়ার রহমান।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন ইত্যা গ্রামে বর্তমানে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সেখানে চাঁদাবাজি, মাদকের আখড়া, লোকজনকে মারধোর করছে কিশোর গ্যাং। চুরি ছিনতাই অহরহ ঘটছেই। কোন আইনের শাসন নেই।

ফ্যাসিস্ট পাগলা শাহিনের সহযোগীরা ঐ কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করছে। কিশোর গ্যাং পরিচালক আমিনুর। পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে সৌদি প্রবাসী মনির ও মালয়েশিয়া প্রবাসী জিন্নাহ। এরা আওয়ামীলীগ কর্মী ও শীর্ষ সন্ত্রাসী পাগলা শাহিনের সহযোগী। জিন্নাহ অতিয়ার শেখ ও মনির মৃত হেদুর ছেলে। আমিনুর আব্দুল মজিদের ছেলে। তার সাথে আছে জলিলের ছেলে হাকিম ও আজিজুরের ছেলে হাবিবুর।

গ্রামবাসী জানায় এই চক্রের হোতা সাকিবুর রহমান ডিপজল। কয়েক দিন আগে সে নিজের মাকে গরম পানি দিয়ে ঝলসিয়ে দিয়েছিলো। সাকিবরের নেতৃত্বে ২৫/৩০ জন কিশোর বর্তমানে গ্রামটিকে যেন নরক পরিণত করেছে। শুধু তাই নয় এরা জোর পূর্বক গ্রামের কিশোরী মেয়ে বিয়ে করছে। গত কয়েক দিনে অন্তত ছয়টি কিশোরীকে উঠিয়ে নেয় এই কিশোর গ্যাং। এদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র সাকিবুরের পিতা মফিজ মিয়া। ঐ সব মেয়েরা এখনো ঘরে ফেরেনি।

গ্রামের আজাদের দোকান, সুমনের দোকান ও ইজাহারের দোকানে কিশোর গ্যাং সদস্যরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আখড়া গাড়ে। পুলিশ পারত পক্ষে এদের কিছুই বলেনা। স্থানীয়রা জানান মনিরামপুর থানার এই ইউনিয়ন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্তা এস আই তুহিন। যদিও এ বিষয়ে কোন কথা বলেননি তিনি।

স্বজনরা জানিয়েছেন শুক্রবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত হযরতের জ্ঞান ফেরেনি।

মনিরামপুর থানার এস আই তাজমুলের কাছে ভুক্তভুগিরা অভিযোগ করেছেন। যদিও কোন পুলিশি তৎপরতা এখনো কারো চোখে পড়েনি।