যশোরে দোকান কেনার জন্য দেওয়া ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা চার বছর ধরে ফেরত না পাওয়ায় অভিযুক্তর বাড়ির সামনে প্রতীকী অনশনে বসেছেন আল আমিন নামের এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার সকালে শহরের আরএন রোড এলাকায় অবস্থিত ‘রওনক সানফ্লাওয়ার’ টাওয়ারের সামনে ফেস্টুন টাঙিয়ে তিনি এই പ്രതിഷേധ শুরু করেন। একই সঙ্গে সাউন্ডবক্সের মাধ্যমে নিজের অভিযোগগুলো রেকর্ড করে প্রচার করছেন তিনি।
ভুক্তভোগী আল আমিনের অভিযোগ, সৌদি আরবে প্রবাসে অবস্থানকালে তিনি তার বিয়াই মিজানের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, কাজী সাদাত শাহরিয়ার পলাশ নামের এক ব্যক্তি একটি দোকান বিক্রি করতে ইচ্ছুক। সেই দোকানটি কেনার আগ্রহ থেকে চার বছর আগে মিজানের মাধ্যমে পলাশকে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা প্রদান করেন তিনি। তবে টাকা হস্তান্তরের পর দোকানটি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার জন্য বারবার তাগাদা দিলেও পলাশ নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। পরবর্তীতে আল আমিন জানতে পারেন, ওই দোকানটির মালিকানা নিয়ে শরিকদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধ রয়েছে এবং পলাশ এককভাবে এর মালিক নন।
নিজের কষ্টের কথা জানাতে গিয়ে আল আমিন বলেন, “দেশে ফেরার পর আমি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ি। আমার এক পায়ে অস্ত্রোপচার করে রড বসাতে হয়েছে। বর্তমানে চরম অর্থকষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, কিন্তু আমার পাওনা টাকা ফেরত না পাওয়ায় আমি এই অনশনে বসতে বাধ্য হয়েছি।”
এদিকে, অভিযুক্ত কাজী সাদাত শাহরিয়ার পলাশ টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে তিনি দাবি করেন, শরিকি জটিলতার কারণে দোকানটি আল আমিন বা অন্য কারও কাছে বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, দোকানটি বিক্রি করতে পারলে তিনি অবশ্যই আল আমিনের টাকা ফেরত দেবেন।
















