দেশের মেধাবী সন্তানরা তাদের যোগ্যতা ও মেধার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যখন কোনো গৌরবময় অর্জন করে, তখন সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে তার যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। আজ বৃহস্পতিবার সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশের হাফেজ ও হাফেজাদের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা যে সম্মানজনক পুরস্কারটি জিতে এসেছেন, তা কেবল আপনাদের ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং আমি মনে করি এটি বাংলাদেশের সকল মুসলমানের জন্য একটি বড় অর্জন।’ তিনি আরও আশ্বস্ত করেন যে, ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে যদি সরকারি সহযোগিতার প্রয়োজন হয়, তবে সরকার তা নিশ্চিত করবে।
যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করুক এবং তাদের মেধার স্বাক্ষর রেখে নিজেদের পাশাপাশি দেশ ও দেশের মানুষের জন্য সম্মান ও গৌরব বয়ে আনুক।’ তিনি স্পষ্টভাবে জানান, সকলের সহযোগিতায় দেশের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চায় বর্তমান সরকার। দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করতে এবং সবাইকে সাথে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য।
উল্লেখ্য যে, সৌদি আরবের এই মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের মোট ১৩৩টি দেশের প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে বাংলাদেশ থেকে হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া ১৫ পারা হিফজ, তাজবিদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। পাশাপাশি হাফেজ শেখ মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আশরাফী ৩০ পারা হিফজ, তাজবিদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন। এছাড়া হাফেজা রাবেতা বিনতে রমজান ১৫ পারা এবং হাফেজা মুসফিরা বিনতে মাহমুদ ৩০ পারা হিফজ, তাজবিদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন। তাদের এই সাফল্যে পুরো দেশ গর্বিত।




















