জুলাই সনদের পথ ধরেই সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বর্তমান সরকার। এই সনদের মূল চেতনাকে সামনে রেখে সংবিধান সংস্কার ও সংশোধন কমিটিতে সর্বস্তরের মানুষের মতামত গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। সোমবার (২৪ আগস্ট) 'নির্বাচন পরবর্তী বাংলাদেশ, রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা' শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল বা সংগঠন ব্যতীত যে কেউ সভা-সমাবেশ করতে পারবেন, এতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বাধা দেওয়া হবে না। তিনি মনে করেন, এই খোলামেলা পরিবেশ সরকারের গঠনমূলক আলোচনা ও সমালোচনার সুযোগ তৈরি করবে, যা গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য। সরকারের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই সনদই হবে সংস্কার প্রক্রিয়ার মূল চালিকাশক্তি। সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে বদ্ধপরিকর।
সংস্কারের দীর্ঘ যাত্রায় অনেক সময় ভুল হতে পারে বা পথ হারাতে পারে বলে স্বীকার করে তিনি দেশের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, মন্ত্রীদের কাজের যথাযথ সমালোচনা ও জবাবদিহির মুখে রাখলে সরকার সঠিক পথে পরিচালিত হবে। সংবিধান প্রসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যে পরিবর্তনই আসুক না কেন, ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের চেতনাকে সামনে রেখেই এগোতে হবে; একে কোনোভাবেই ছুঁড়ে ফেলার সুযোগ নেই।
সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ১২ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার মধ্যে ৫টি আসন বিরোধী দলের জন্য রাখা হয়েছে। তবে আইনমন্ত্রী আক্ষেপ করে জানান, বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও বিরোধী দলগুলো এখনো তাদের সদস্য তালিকা সরকারের কাছে জমা দেয়নি।















