মোহাম্মদ সেলিম, ঈদগাঁও (কক্সবাজার)
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার চাঞ্চল্যকর ফয়সাল মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরী প্রকাশ সেলিম বাবু হত্যা মামলার অন্যতম তিন আসামির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২২ জুলাই) হাইকোর্ট থেকে নেওয়া পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ শেষে সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন ওই আসামিরা। শুনানি শেষে কক্সবাজার জজ আদালত-২ তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আসামি পরিচিতি:
আদালতের নির্দেশে কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন—
নুর মোহাম্মদ (৫৭) (মামলার ১ নম্বর আসামি ও ইসলামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর নাপিতখালীর ইউপি সদস্য, পিতা: মোহাম্মদ কালু)মোবারক (৩৫) (মামলার ৩ নম্বর আসামি, পিতা: ইসহাক মিয়া) রমিজ আহমদ (৩৮) (মোবারকের ভাই, পিতা: ইসহাক মিয়া)
এর আগে মামলার ২ নম্বর আসামি এবং প্রধান আসামির ছেলে আতাউল্লাহকে (৩১) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আটক করেছিল। নিহতের মামা লিটন আসামিদের জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সনক কান্তির মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ এপ্রিল গভীর রাতে ইসলামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড মধ্যম নাপিতখালী এলাকার সোলাইমান ড্রাইভারের ছেলে ফয়সাল মোহাম্মদ সেলিম বাবুকে (৩২) মাছ চুরির অপবাদ দিয়ে ঘর থেকে তুলে নিয়ে যায় ঘের মালিকপক্ষ। পরে সারারাত ধরে তার ওপর অমানবিক ও নৃশংস নির্যাতন চালানো হয়।
দীর্ঘ ১১ দিন যন্ত্রণায় ভুগে এবং মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান সেলিম বাবু। এই ঘাতক ঘটনার পর নিহতের মা দিলদার বেগম বাদী হয়ে ঈদগাঁও থানায় ইউপি সদস্য নুর মোহাম্মদকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মোহাম্মদ সেলিম, ঈদগাঁও (কক্সবাজার)
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার চাঞ্চল্যকর ফয়সাল মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরী প্রকাশ সেলিম বাবু হত্যা মামলার অন্যতম তিন আসামির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২২ জুলাই) হাইকোর্ট থেকে নেওয়া পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ শেষে সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন ওই আসামিরা। শুনানি শেষে কক্সবাজার জজ আদালত-২ তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আসামি পরিচিতি:
আদালতের নির্দেশে কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন—
নুর মোহাম্মদ (৫৭) (মামলার ১ নম্বর আসামি ও ইসলামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর নাপিতখালীর ইউপি সদস্য, পিতা: মোহাম্মদ কালু)মোবারক (৩৫) (মামলার ৩ নম্বর আসামি, পিতা: ইসহাক মিয়া) রমিজ আহমদ (৩৮) (মোবারকের ভাই, পিতা: ইসহাক মিয়া)
এর আগে মামলার ২ নম্বর আসামি এবং প্রধান আসামির ছেলে আতাউল্লাহকে (৩১) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আটক করেছিল। নিহতের মামা লিটন আসামিদের জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সনক কান্তির মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ এপ্রিল গভীর রাতে ইসলামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড মধ্যম নাপিতখালী এলাকার সোলাইমান ড্রাইভারের ছেলে ফয়সাল মোহাম্মদ সেলিম বাবুকে (৩২) মাছ চুরির অপবাদ দিয়ে ঘর থেকে তুলে নিয়ে যায় ঘের মালিকপক্ষ। পরে সারারাত ধরে তার ওপর অমানবিক ও নৃশংস নির্যাতন চালানো হয়।
দীর্ঘ ১১ দিন যন্ত্রণায় ভুগে এবং মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান সেলিম বাবু। এই ঘাতক ঘটনার পর নিহতের মা দিলদার বেগম বাদী হয়ে ঈদগাঁও থানায় ইউপি সদস্য নুর মোহাম্মদকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।






