গোকুল চন্দ্র রায়: দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ভোগনগর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১,৭০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বীরগঞ্জ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় দুই মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। একই মামলায় আরও একজনকে পলাতক আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৮ জুন ২০২৬) দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই খোকন, এএসআই সাদ্দামসহ সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা উপজেলার ৮ নং ভোগনগর ইউনিয়নের ভোগনগর (কবিরাজ) এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানের একপর্যায়ে পলাতক কালাপুকুর গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে মো. জনি ইসলাম ভাড়াকৃত চাতাল সংলগ্ন দক্ষিণমুখী টিনশেড গোডাউন ঘরে তল্লাশি চালিয়ে ১,৭০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বিজয়পুর গ্রামের মো. আব্দুর রহমানের ছেলে মো. মোকছেদুল ইসলাম ওরফে ব্ল্যাক (২৮) এবং একই গ্রামের মৃত কালু মিয়ার ছেলে মো. খায়রুল ইসলাম (৩৮)-কে আটক করা হয়। তবে অভিযানের সময় মো. জনি ইসলাম পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

পরে উদ্ধার হওয়া ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করে আটক দুইজনকে বীরগঞ্জ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ঘটনায় বীরগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ২৯(ক)/৪১ ধারায় মামলা (মামলা নং-২৭, তারিখ: ২৮ জুন ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, "মাদকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের চলমান অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সমাজ থেকে মাদকের বিস্তার রোধে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। কোনো মাদক কারবারিকেই আইনের আওতার বাইরে থাকতে দেওয়া হবে না।"

পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক আসামি মো. জনি ইসলামকে গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

একই সঙ্গে উদ্ধার হওয়া মাদকের উৎস এবং এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্তও চলমান রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, পুলিশের এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযানের ফলে এলাকায় মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে।