মো লুৎফুর রহমান রাকিব

মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনায় স্কুলে পুষ্টিকর খাবারের প্রাপ্যতা বাড়ানো, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করা এবং খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের সময় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় রয়েছে ফিজি ও এনার্জি ড্রিঙ্কস, স্পোর্টস ড্রিঙ্কস, ঠান্ডা চা, কৃত্রিম রঙযুক্ত জুস, মর্টাডেলা, আইসক্রিম, চকোলেটযুক্ত বিস্কুট, চিনাবাদাম, ফ্লেভার ও চকোলেট মিল্ক, ক্রোসাঁ, চিপস এবং বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন।

এছাড়া ব্রেডেড মাংস, পোল্ট্রি ও মাছের তৈরি খাবারও বিক্রি করা যাবে না। কাস্টার্ড, চকোলেট, টফি বা ভ্যানিলা ফিলিং দেওয়া স্যান্ডউইচ, চুইংগাম, মেয়োনিজ ও আচারও নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় রাখা হয়েছে।

স্কুলে সরবরাহ করা খাবারের প্রস্তুত, প্যাকেটজাত, পরিবহন ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়াতেও নতুন করে কঠোর নিয়ম আরোপ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনের দিনেই বিক্রির জন্য নির্ধারিত খাবার প্রস্তুত করতে হবে। হিমায়িত পণ্যের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্যাকেজিং, পরিবহন ও সংরক্ষণ বিধি অনুসরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

শুকনো খাবারের নিরাপত্তা ও মান বজায় রাখতে সেগুলো রাখার স্থান ও সংরক্ষণাগারের জন্যও পৃথক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

স্কুলে খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধ লাইসেন্স, বাণিজ্যিক নিবন্ধন এবং প্রয়োজনীয় যাকাত ও আয়সংক্রান্ত সনদসহ অন্যান্য অনুমোদনপত্র থাকা বাধ্যতামূলক।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো স্কুলে আরও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করা এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খাওয়ার উপযোগী নয়—এমন অতিরিক্ত চিনি, চর্বি বা অন্যান্য উপাদানসমৃদ্ধ খাবারের সংস্পর্শ কমানো।