মানুষের প্রতিটি মুহূর্তের সঙ্গী হওয়ার পাশাপাশি যেকোনো সংকট ও মানবিক বিপর্যয়ে পাশে থাকাই মোজো-এর অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। মানবিক দায়বদ্ধতার এই ধারাবাহিকতায় এবার প্রতিবেশী দেশ নেপালের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বেভারেজ ব্র্যান্ড মোজো।

সম্প্রতি নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভোতে কোশী ও ত্রিশূলী নদীতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় নেপালের বিভিন্ন অঞ্চল চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। পাহাড়ি নদীর তীব্র স্রোতে ভেসে গেছে অসংখ্য ঘরবাড়ি, নিখোঁজ হয়েছেন বহু মানুষ। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে স্বজন ও মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। প্রতিবেশী দেশের এই মানবিক সংকটের খবর বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে গভীর শোক ও সহমর্মিতার জন্ম দিয়েছে।

মোজো বিশ্বাস করে, আর্তমানবতার সেবায় এবং দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে ভৌগোলিক সীমারেখা কোনো বাধা হতে পারে না। এমন কঠিন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে থাকাকেই মোজো তার সামাজিক ও মানবিক দায়িত্বর অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপন্ন মানুষের জরুরি ত্রাণ সহায়তা এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমে আর্থিক সহযোগিতার লক্ষ্যে ঢাকায় অবস্থিত নেপাল দূতাবাসে ৩৫ লাখ টাকার একটি অনুদান প্রদান করেছে মোজো।

নেপাল দূতাবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়। চেক হস্তান্তরকালে আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের প্রতিনিধিগণ বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগে যারা স্বজন ও ঘরবাড়ি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন, তাদের এই অপূরণীয় শূন্যতা পূরণ করার সাধ্য কারও নেই। তবে আমরা চাই এই কঠিন সময়ে নেপালের মানুষ যেন নিজেদের একা মনে না করেন। প্রতিবেশীর বিপদে পাশে দাঁড়ানো কেবল সাহায্য নয়, বরং এটি আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মোজো এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের একটাই প্রত্যাশা—নেপালের মানুষ যেন দ্রুত এই শোক কাটিয়ে পুনরায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে এবং ঘুরে দাঁড়াতে পারে।"

মোজো তার এই কার্যক্রমের মাধ্যমে আবারও প্রমাণ করল যে, ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ বজায় রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও যেকোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক সংকট ও দুর্যোগে আর্তমানবতার পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে মোজো।