জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নবীনবরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন শিক্ষামন্ত্রী এ এন এম এহছানুল হক মিলন যে, দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর বর্তমান সরকার। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্ট করে জানান, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন এবং কাঠামোগত ব্যাপক পরিবর্তনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং এই পরিবর্তন আনা এখন সময়ের দাবি।

শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, "শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন আনতেই হবে। আমরা সার্বক্ষণিক চিন্তা করছি কীভাবে তোমাদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করা যায়, কীভাবে হিউম্যান ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট এবং শিক্ষার সোশ্যাল ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট নিশ্চিত করা সম্ভব।" শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে তিনি আরও বলেন, "আমি তোমাদের উৎফুল্লতা ও সফলতা চাই। তোমাদের জীবন সুন্দর হোক এটাই আমাদের মূল প্রত্যাশা। তোমাদের অভিভাবকদের প্রত্যাশা এবং দেশের স্বপ্ন এখন তোমাদের কাঁধে। তোমরাই আমাদের ভবিষ্যৎ, তোমরাই আগামীর বাংলাদেশ।"

শিক্ষা কারিকুলামের আধুনিকায়নের বিষয়ে কথা বলে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২৮ সালের মধ্যে কারিকুলামকে সম্পূর্ণ যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে কাজ করছে। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ তারেক রহমানের নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে এবং ছাত্রদল একটি আদর্শভিত্তিক সংগঠন হিসেবে আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নবীন শিক্ষার্থীরা আজকের এই অনুষ্ঠানে যা শুনেছেন এবং দেখেছেন, তা আত্মস্থ করে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের প্রস্তুত করবে।

অনুষ্ঠানের শেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া খতিয়ে দেখার এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন শিক্ষামন্ত্রী। একই সাথে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিজস্ব উদ্যোগে জিমনেশিয়াম তৈরির প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি।