কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি:

"পরিবর্তন চাই, উন্নয়ন চাই - সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের পাশে থাকতে চাই"। এই প্রতিশ্রুতিতে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার সাহেবেরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তরুণ সমাজসেবক ডা:মেজবাহ উদ্দিন।

ডা. মেজবাহ উদ্দিন সাহেবেরহাট ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাহেব বাড়ির বাসিন্দা। তিনি ওই বাড়ির মৃত জুলফিকার মিয়ার ছোট ছেলে এবং এলাকার পরিচিত জনপ্রতিনিধি বাশার চেয়ারম্যানের ভাতিজা। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক।

প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই ইউনিয়নজুড়ে তাকে ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সড়ক, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তার পোস্টার ও ফেস্টুন শোভা পাচ্ছে। পোস্টারগুলোতে সাহেবেরহাট ইউনিয়নকে নিয়ে তার উন্নয়ন পরিকল্পনা, স্বপ্ন ও জনকল্যাণমূলক অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,দীর্ঘদিন থেকে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও ওয়ার্ডে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিনই স্থানীয় ভোটার, যুবসমাজ, প্রবীণ ব্যক্তি, কৃষক, জেলে, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও মতবিনিময় করছেন। তাদের সুখ-দুঃখের কথা শুনছেন এবং নির্বাচিত হলে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

স্থানীয়দের মতে, একজন শিক্ষিত, সৎ, মেধাবী ও উদ্যমী তরুণ হিসেবে ডা. মেজবাহ উদ্দিন ইতোমধ্যে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন। তার বিনয়ী আচরণ, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মানুষের পাশে থাকার মানসিকতার কারণে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তাকে নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে। প্রচারণার শুরু থেকেই তিনি সাধারণ ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, ইউনিয়ন নিয়ে ইতিবাচক মনোভাবের কারণে ডা. মেজবাহ উদ্দিনের প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি হয়েছে। ফলে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি একজন সম্ভাবনাময় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন।

ডা. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, “আমি জনপ্রতিনিধিত্বকে জনগণের সেবা করার একটি মহান দায়িত্ব হিসেবে দেখি। জনগণ আমাকে নির্বাচিত করলে ইউনিয়ন পরিষদে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করবো। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কাজ করবো। কৃষক ও জেলেদের স্বার্থ সংরক্ষণ, অবহেলিত ও অসহায় মানুষের কল্যাণ ভুমিকা রাখবো। পাশাপাশি যুবসমাজকে দক্ষ ও কর্মমুখী করে গড়ে তোলার জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবো।

তিনি আরও বলেন, আমার স্বপ্ন সাহেবেরহাট ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত, দুর্নীতিমুক্ত ও সেবাবান্ধব মডেল ইউনিয়নে পরিণত করা। এসময় তিনি ভোটারদের সমর্থন ও সকলের দোয়া কামনা করেন।