শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলার ডেথ রেফারেন্স এবং আপিল শুনানির যাবতীয় প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। ফেনীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত এবং মাগুরার আছিয়া হত্যা মামলার শুনানি সম্পন্ন হওয়ার পরপরই শুরু হবে রামিসা হত্যা মামলার শুনানির কার্যক্রম। বুধবার সকালে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।

মামলাটির শুনানির পূর্বে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ আসামিদের জন্য স্টেট ডিফেন্স বা রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ দেন সলিসিটরকে। আদালতের এই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৫ জুন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পক্ষে আইনি লড়াই পরিচালনার জন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রথিতযশা আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে নিযুক্ত হন।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১৯ মে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর অত্যন্ত নির্মমভাবে হত্যা করেন সোহেল রানা। এই জঘন্য অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে তাকে পূর্ণ সহায়তা প্রদান করেন তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। অপরাধের ভয়াবহতা ও গভীরতা বিবেচনা করে ঢাকার শিশু অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই দুজনের বিরুদ্ধেই মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করেন। রায়ের পর আসামিদের দ্রুত কনডেম সেলে পাঠানো হয়, যেখান থেকে তারা এই মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে জেল আপিল দাখিল করেছেন।