সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে কোনো ‘সংস্কার পরিষদ’-এর আইনি অস্তিত্ব নেই বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ রোববার বেলা ১১টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শুরুর আগে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনের প্রাক্কালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো সংস্কার পরিষদের নয়। সংবিধান অনুযায়ী এই ধরনের কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই এবং বিষয়টি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। এটি যদি ভবিষ্যতে আইনে পরিণত হয়, তবেই তার কার্যকারিতা দেখা যাবে।’

সংসদের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার ইতিমধ্যে তাদের দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন, যাতে তারা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে সংসদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

সংস্কার পরিষদের বৈধতা প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘সাংবিধানিকভাবে আমাদের সামনে এমন কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই। তবে গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে যদি একে গ্রহণ করতে হয়, তবে প্রথমেই সংবিধানে যথাযথ সংশোধনী আনতে হবে। এই বিষয়টি সংসদে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।’ তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, প্রথমে সংবিধান সংশোধন হতে হবে এবং সেই সংশোধনী সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। এর পর যদি কোনো পরিষদ গঠন করা হয় এবং শপথ গ্রহণ করার প্রয়োজন হয়, তবে তা হবে পরবর্তী ধাপের আইনি প্রক্রিয়া।