হাফিজুর রহমান

চিকিৎসা নিতে ভারতে অবস্থানরত কলকাতার একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত দু,জনের মধ্যে আলিমুজ্জামান সাজুর (৪৫) মরদেহ সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে দেশে আসায় বাড়িতে নিয়ে জানাযা শেষে বাদ আছর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নিহত রেবতি সরকারের মরদেহ ভারতে সৎকার করা হয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। গত (১৯ আগস্ট) বুধবার ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার পশ্চিমবঙ্গ কলকাতার শিখা,ইন নামক একটি হোটেলে আকস্মিক গ্যাস বিস্ফোরণের অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মৃত ইউনুস সরদারের ছেলে আলিমুজ্জামান সাজু (৪৫) ও তেতুলিয়া গ্রামের ভবেশ সরকারের স্ত্রী রেবতি সরকার (৩৭) নিহত হয়। তারা দু,জনই চিকিৎসার জন্য এক সঙ্গে ভারতে যান। কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা,ইন আবাসিক হোটেলে ওঠেন। রাতে ঐ হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৭ জন বাংলাদেশি সহ মোট ৯ জন নিহত হন। তার মধ্যে সাতক্ষীরার দু,জন নিহত হন। গত দু,দিন দু'দেশের হাই কমিশনারের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রেবেতি সরকারের মরদেহ ভারতে সৎকার করা হয়েছে। রেবতী সরকারের দেবর সঞ্জয় সরকার জানান তার ছেলে মেয়ে ভারতে অবস্থান করায় সেখানে মরদেহ সৎকার করে দাহ করেছেন এবং পরিবারের নিকট হস্তান্তর করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বেলা আড়াই টার দিকে আলিমুজ্জামানের মরদেহ গ্রামের বাড়ি বরেয়া গ্রামে পৌঁছালে একদিকে এলাকায় শোকের ছায়া অন্যদিকে শতশত গ্রামবাসী শোকাহত পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য বাড়িতে ভিড় জমতে দেখা যায়।