আসন্ন উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায়, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় নির্বাচনের আদলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীকে মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। সেই সঙ্গে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে ২৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কমিশনার সানাউল্লাহ জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে পূর্বনির্ধারিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংসদ নির্বাচনের আদলে সেনাবাহিনীকে মোতায়েন করা হবে এবং প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতার মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।
পাশাপাশি, আগামী ৬ জুনের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার বিষয়ে বৈঠকে অংশগ্রহণকারী সকল পক্ষ একমত পোষণ করেছেন। কমিশনার জানান, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শেষ করার জন্য যে সম্ভাব্য সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা নিয়ে সবাই সম্মত হয়েছেন। নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর জানুয়ারি মাসে কিছুটা সময় পাওয়া গেলেও তার পরপরই শুরু হবে পবিত্র রমজান মাস এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষাগুলো। এই অত্যন্ত ব্যস্ত ও সংবেদনশীল সময়ের মধ্যে কীভাবে সুষ্ঠুভাবে উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা যায়, তা নিয়ে কমিশন বর্তমানে গভীরভাবে কাজ করছে। আজকের বৈঠকে প্রাপ্ত তথ্য ও উপাত্তগুলো কমিশন সভায় বিস্তারিত আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে তিনি জানান।















