সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় অটোভ্যানচালক এক যুবককে জিম্মি করে সংঘবদ্ধভাবে যৌন নির্যাতন এবং সেই দৃশ্য ভিডিও করে চাঁদা দাবির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার নয়াপাড়া রশীদপুর এলাকায় সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মিলন হোসেন (৩১) বাদী হয়ে গত ২৮ সেপ্টেম্বর সলঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন উপজেলার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের নয়াপাড়া রশীদপুর গ্রামের লিটনের ছেলে হৃদয় হোসেন, শামসুলের ছেলে শফি আহামেদ, শফির ছেলে নাঈম আহামেদ, ইসমাইলের ছেলে সিয়াম হোসেন এবং মনিরুল ইসলাম, কাইয়ুম, তুহিন ও শফিকুল ইসলামসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন। অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী যুবক নয়াপাড়া রশীদপুর গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। রাতে স্থানীয় একটি দোকানের পাশে অবস্থান করার সময় অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে কৌশলে তাকে পাশের একটি নির্জন বাঁশবাগানে নিয়ে যায়।
সেখানে মনিরুল ইসলাম ভয়ভীতি দেখিয়ে সহযোগীদের নিয়ে তাকে জোরপূর্বক সংঘবদ্ধভাবে যৌন নির্যাতন করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। একই সময় অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন মোবাইল ফোনে পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। ভুক্তভোগীর ডাক-চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ইমো অ্যাপের মাধ্যমে ভুক্তভোগীর আত্মীয়ের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
চাঁদা না দিলে ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে। ভুক্তভোগী মিলন হোসেন বলেন, ঘটনার পর পরিবার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে গত ২৮ সেপ্টেম্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। সলঙ্গা থানার ওসি আসলাম আলী বলেন, এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





















