গাজীপুরের শ্রীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে মশাল মিছিলের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের সাত কর্মীকে আটক করেছে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। আটককৃতদের দ্রুত পুলিশে সোপর্দ করার পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে sejumlah ব্যানার এবং প্রায় ৩০-৩৫টি মশাল জব্দ করা হয়। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার জৈনাবাজার এলাকায় এই নাটকীয় ঘটনাটি ঘটে। তবে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি।

মাওনা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম সরকার গণমাধ্যমকে জানান, সম্প্রতি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মহাসড়কে মশাল মিছিলসহ বিভিন্ন ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করছেন। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি মহাসড়কে স্বাভাবিক যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের অরাজকতা ও নাশকতা প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের পালাক্রমে সতর্ক নজরদারি ও দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আরিফুল ইসলাম সরকার আরও জানান, সোমবার রাত ৯টার দিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাকর্মীদের কাছে গোপন খবর আসে যে, শ্রীপুরের নয়নপুর এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে মশাল মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। খবর পাওয়ার পরপরই সেখানে পৌঁছে তাদের ধাওয়া করা হয় এবং সাতজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জিয়াউল করিম মোড়ল রিফাত দৃঢ়ভাবে জানান, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ককেন্দ্রিক যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে তাদের এই তৎপরতা আগামীদিনেও অব্যাহত থাকবে। তিনি স্পষ্টভাবে সতর্ক করে বলেন, মহাসড়কে কোনো ধরনের অবৈধ মিছিল বা জমায়েত করতে দেওয়া হবে না।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে সাতজনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে জব্দ করা ব্যানার ও মশালগুলো বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।