বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তদন্ত প্রতিবেদনে মিলেছে বলে জানিয়েছেন বিসিবির আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান। তবে যৌন হয়রানি সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির এই প্রতিবেদন কখনোই প্রকাশ করা হবে না।

ভুক্তভোগীদের পরিচয় গোপন রাখার স্বার্থে এবং হাইকোর্টের রায়ের পরিপন্থী হওয়ায় প্রতিবেদনটি প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। বুধবার (৪ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বিসিবির এই আইনজীবী। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হওয়ার পর নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামকে সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করে বিসিবি। পরে অনেকটা গোপনে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে হাইকোর্টের দুটি বেঞ্চে রিট করেন তিনি।

ওই শুনানিতেই নারীদের যৌন হয়রানির পুরো প্রতিবেদন আদালতে তুলে ধরে বিসিবি। প্রতিবেদন কবে প্রকাশ করা হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে আইনজীবী বলেন, এটি প্রকাশ্যে কখনোই আসবে না, কারণ এতে গোপনীয়তার নীতিমালা ভঙ্গ হবে। হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ভুক্তভোগীদের পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না। সব কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি বন্ধে ২০০৯ সালের ১৪ মে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ভিত্তিতে যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে ইতিমধ্যে বিসিবি কমিটি গঠন করেছে বলেও জানান তিনি।