কথাটি মুখে বলার প্রয়োজন পড়ল না; মীর শাহে আলমের হাতই ছিল যথেষ্ট ভিপি জয়নালকে বাস্তব পরিস্থিতি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য। জয়নালের জন্ম ১৯৫৬ সালে, আর শাহে আলমের বর্তমান বয়স ৫৬।

সংখ্যার মিল থাকলেও ইতিহাসের সাথে কোনো মিল নেই। একাত্তরের ২ মার্চ ফেনীতে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উত্তোলন করেছিলেন যিনি, যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ৬ ডিসেম্বর ফেনী শত্রুমুক্ত হয়েছিল, সেই অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বটিই করিডোরে অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে রইলেন।

চারবারের সংসদ সদস্য মীর শাহে আলমকে খালেদা জিয়া নিজেই এনেছিলেন উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য হিসেবে। তবে রাজনীতি যদি কেবল ‘বন্ধু কোটা’র জোরে চলত, তবে ভিপি জয়নালের অবস্থান হতো শাহে আলমের বহু ধাপ পেছনে। নেতার সদিচ্ছা থাকলেও রাজনীতির প্রচলিত বিধি পরিবর্তন হয় না। শাহে আলমদের মতো অভিজ্ঞরা পেছনে থাকলে, তারেক রহমানও পিছিয়ে থাকবেন। আগামী দিনগুলোতে এই জাতীয়তাবাদী দল খালেদা জিয়াকে ভীষণ মিস করবে।