কৃষি মন্ত্রণালয়ের বর্তমান সচিব মোঃ সেলিম খান বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে চরম বৈষম্যের শিকার একজন কর্মকর্তা। গত ১১/৮/২০২৬ তারিখে বিসিএস ( প্রশাসন) ,ব্যাচ ১৮ কর্মকর্তা , অতিরিক্ত সচিব থেকে সচিব পদে কৃষি মন্ত্রণালয়ে পদায়ন হয়। ৯০ এর দশকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সোনালী ফসল ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলের ছাত্র ছিলেন। ছাত্রদলের সবার সাথে তার ভাল বন্ধুত্ব ছিল, দলের ছোট ভাইদের তিনি স্নেহের সাথে আগলে রাখতেন, সবাই তার ভক্ত ছিলেন। মাঝে মাঝে কবিতা বলতেন। কাজেই তার বিরুদ্ধে তকমা লাগানো বন্ধ করতে হবে। সমগ্র চাকুরীজীবনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পরিচিত আইকনদের উপকার করার চেষ্টা করেছেন। স্বৈরাচার ফ্যাসিস্টের সময় তিনি ভাল কোন পোস্টিং ছিলেন না। বি এন পি পন্থী কর্মকর্তা হওয়ায় ৪ বার পদোন্নতি থেকে তাহাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে দূর্গম বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলায় পোস্টিং ছিল। বিগত ১৫ বছরে তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভা ৮বছর, গাজীপুর পৌরসভা ট্রাষ্টে ৬বছর ও ১ বছর ওএসডি ছিলেন। ৫ই আগস্টের পর ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত সচিব হয়েছেন। তৎকালীন জ্বালানী উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান উত্তরা গোপনে বৈঠক করেন সেই আমলা বৈঠকে সেলিম খান, সিনিয়ার সহকারী সচিব উপস্থিত ছিলেন, তৎকালীন সকল পত্রিকায় তার নাম আসে। এরই প্রেক্ষিতে ফ্যাসিস্ট সরকার কর্তৃক ২০১০ সালের রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়। সুতরাং তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মিথ্যা অপপ্রচার ও ট্যাগ লাগানো চরম অপসাংবাদিকতা থেকে বিরত থাকা উচিত।