মোঃ সোহরাব আলী
পঞ্চগড়ে এক মাঠেই মসজিদে আদায় হয় নামাজ আর মসজিদের পাশেই থাকা মন্দিরে হয় পুজা অর্চনা। এমন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্যেই চলে হিন্দু ও মুসলমানেরা। এতে প্রশাসনের আলাদা কোন দায়িত্ব দিতে হয় না। শৃংখলার মধ্যেই চলে নামাজ ও পূজা। তারা জানান স্বাভাবিক ভাবেই অন্যান্য পুজা মন্ডপের মতই এখানেও পুজা হয়। বিবরণে প্রকাশ পঞ্চগড় সদর উপজেলার গড়িনাবাড়ি ইউনিয়নের নতুনহাট নামক এলাকায় জিতাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে, নুতুন হাট জামে মসজিদ ও জিতাপাড়া দূর্গামন্দির অবস্থিত। প্রশাসন সূত্র পাওয়া তথ্যে
জানা যায়, পঞ্চগড় জেলা ৫ উপজেলায় মোট ৩০১ টি দুর্গা মন্দিরে চলছে পুজা অর্চনা। এরমধ্যে জেলার একমাত্র স্থান জিতাভারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে একদিকে মসজিদ অন্যদিকে দুর্গা মন্দির, ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ পড়েন মসজিদে নামাজ আর সনাতন ধর্মলম্বীরা মন্দিরে করেন পূজা। এতে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় হিন্দু মুসলিম এক সাথে মিলেমিশে নিজেদের স্ব স্ব ধর্মের পালন করে আসছে। নামাজের সময় হলে মুসলমানগণ মসজিদে যান নামাজ আদায় করতে আর পূজার সময় হলে হিন্দুরা যান মন্দিরে পূজা করতে ।এই হল এখানকার সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্যেই মসজিদ ও মন্দিরের কার্যক্রম প্রায় ২৫-৩০ বছর থেকে চলে আসছে। নামাজের জন্য আযান ও নামাজের নির্ধারন সময়ে পুজার কার্যক্রম সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ রাখা হয় বলে পূজা কমিটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েন । সূত্র মতে নামাজের সময় গুলোতে পুজা কমিটি মাইক ও পুজা অর্চনা বন্ধ রাখেন। আবার নামাজ শেষে মুসুল্লিরা মসজিদ থেকে চলে যাওয়ার পর পুজা অর্চনা শুরু করা হয়।
হিন্দু ধর্মের শ্রী রঞ্জিত চন্দ্র ও জগদীশ চন্দ্র বলেন, দীর্ঘদিন যাবত আমরা হিন্দু-মুসলিম একত্র হয়ে মন্দিরও মসজিদে স্ব স্ব ধর্ম পালন করে আসছি। পূজার সময় মুসলমানগণ আমাদেরকে সহযোগিতা করেন আমাদের মধ্যে কোনরকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়নি মিলেমিশে বসবাস করি।
আমাদের কোন ধরনের সমস্যা হয় না।















