রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও শাশুড়িকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে হৃদয় ওরফে শিপন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেই কলাবাগান থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন। রোববার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কলাবাগান থানার কাঁঠালবাগানের আল-আমিন রোডের একটি বাসায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত হৃদয় পেশায় একজন পিকআপ ভ্যানচালক। তিনি তার স্ত্রী ফারজানা ও সন্তানকে নিয়ে আল-আমিন রোডের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। গত শনিবার স্বামী-স্ত্রী মোহাম্মদপুরের একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফিরে রাতে তারা কাঁঠালবাগানের আল-আমিন রোডে শ্বশুরের বাসায় অবস্থান করেন। রোববার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়, যা দ্রুত তীব্র ঝগড়ায় রূপ নেয়। একপর্যায়ে ফারজানার মা ফিরোজা বেগম মেয়ের পক্ষ নিতে গেলে ক্ষিপ্ত হয়ে জামাতা শিপন তাদের ওপর ধারালো ছুরি দিয়ে আক্রমণ করেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় ফিরোজা বেগমকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ফারজানার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, পারিবারিক কলহের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত হৃদয় থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেছেন এবং এই ঘটনায় মামলা করার প্রক্রিয়া বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।










