অভিনয় জগতে দীপা খন্দকারের পথচলা আড়াই দশকেরও বেশি। দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে অসংখ্য নাটক এবং বৈচিত্র্যময় চরিত্রের মাধ্যমে তিনি দর্শকদের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন। কখনো মা, কখনো ফুপু, আবার কখনো স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করে তিনি বরাবরই প্রশংসিত হয়েছেন। তবে বর্তমানে চ্যানেল আইতে প্রচারিত মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের ধারাবাহিক ‘এটা আমাদেরই গল্প’-তে ‘ফাতেমা ফুপু’ চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন দীপা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই চরিত্রের জন্য তিনি এখন ‘জাতীয় ফুপু’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

অভিনয় জীবন এবং বর্তমান সাফল্য নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর কাছে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান দীপা খন্দকার। তিনি বলেন, “আমি ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিকে অভিনয় দারুণভাবে উপভোগ করছি। আমার প্রায় ২৬-২৭ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে আগে কখনো দেখিনি যে, কোনো নাটকের নির্দিষ্ট এপিসোডের জন্য মানুষ এত আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করে। এটি মূলত দর্শকদের ভালো লাগারই প্রতিফলন। এই ধারাবাহিকটি যে মানুষের হৃদয়ে এত বড় আকারে নাড়া দেবে, তা আমরা আগে বুঝতে পারিনি। এর পেছনে পরিচালক রাজের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব। একই সঙ্গে আমি দর্শকদের কাছেও কৃতজ্ঞ, কারণ তারা আমাদের অত্যন্ত সাদরে গ্রহণ করেছেন।”

সামাজিক মাধ্যমে ‘জাতীয় ফুপু’ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দর্শকদের এমন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় আমার ভালো লাগার অনুভূতিটি সত্যিই অসাধারণ। আমার অভিনীত এই ফুপু চরিত্রটি যেন বাস্তব জীবনের এক বিশেষ অপূর্ণতা ঘুচিয়ে দিয়েছে।”

অভিনয়ে ভিন্নতা আনা এবং সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলাকে গুরুত্ব দেন এই অভিনেত্রী। তিনি মনে করেন, বয়সের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তিনি এখন যথাযথ চরিত্রগুলো ফুটিয়ে তুলতে পারছেন। দীপা বলেন, “কোনো নাটকে ২০ বছরের সন্তানের মা হচ্ছি, আবার কোথাও ফুফুর চরিত্রে অভিনয় করছি। এখন দর্শকদের চাওয়া অনুযায়ী আমি আরও ব্যতিক্রমী ও ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করতে চাই। অভিনয়ের ক্ষেত্রে আমি সবসময়ই নতুনত্ব এবং ভিন্নতা আনতে আগ্রহী।”