মোঃ সারোয়ার হোসেন অপু
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নে জগদীশপুর (সোনাপাড়া) গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছোট মেয়ে আমিনা (১১) পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে
গরম পানিতে শরীর ঝলসে যাওয়া এক স্কুল ছাত্রীর জীবন এখন সংকটাপন্ন। বর্তমানে সে হাসপাতালের বিছানায় তীব্র যন্ত্রণায় ছটফট করছে। অর্থাভাবে তার চিকিৎসা ব্যাহত হওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের কাছে সাহায্যের আকুল আবেদন জানানো হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন আগে অসাবধানতাবশত রান্নাঘরে রাখা ফুটন্ত গরম পানি ওই ছাত্রীর গায়ের ওপর পড়ে যায়। এতে তার পিঠ, বুক ও হাতসহ শরীরের প্রায় একাংশ মারাত্মকভাবে ঝলসে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শরীরের বেশ কিছু অংশ গভীরভাবে পুড়ে গেছে এবং দ্রুত দীর্ঘমেয়াদি উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন।
আক্রান্ত শিক্ষার্থী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্রী। তার বাবা একজন সাধারণ মোবাইল মেকানিক। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর এই সংসারে তিন সন্তান মেয়ের এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় পুরো পরিবারটি এখন দিশেহারা। প্রাথমিক চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়েই পরিবারটি ইতিমধ্যে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাকে পুরোপুরি সুস্থ করে তুলতে বড় অঙ্কের টাকার প্রয়োজন, যা এই দরিদ্র পরিবারের পক্ষে বহন করা অসম্ভব।
মেয়ের জীবন বাঁচাতে এবং তাকে আবার বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে নিতে অশ্রুসজল চোখে মা-বাবা দেশ-বিদেশের বিত্তবান, সমাজসেবক ও প্রবাসী ভাইদের কাছে মানবিক সাহায্যের হাত বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন। আপনার সামান্য আর্থিক সহযোগিতা ফিরিয়ে দিতে পারে একটি কোমলমতি শিশুর প্রাণ এবং তার সুপ্ত ভবিষ্যৎ।







