রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ বা তফসিল এখনো নির্ধারিত হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান। তিনি স্পষ্ট করেন যে, সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা পাওয়ার পরেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে। ইতিমধ্যে ভোটার তালিকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধি এবং আইন সংশোধনের বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ইসি সচিব বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং ঋণখেলাপি সংক্রান্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে কিছু প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে। এই খসড়াটি দ্রুত আইন মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে বলে তিনি জানান।

নির্বাচনের সময়সীমা প্রসঙ্গে আখতার আহমেদ বলেন, সাধারণত তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনের তারিখ পর্যন্ত ৪৫ দিনের একটি ব্যবধান রাখা হয়। ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক প্রস্তুতির জন্য একটি ‘ব্যাকওয়ার্ড ক্যালকুলেশন’ বা উল্টো গণনার মাধ্যমে সময় নির্ধারণ করা হয়। তিনি আরও জানান, কমিশনের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং ভোটকেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রয়েছে। প্রয়োজনে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাট-অফ পয়েন্ট বাড়ানো হতে পারে। ঘোষণা আসার সাথে সাথেই যেন কাজ শুরু করা যায়, সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে এনআইডি সংশোধনের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট এসওপি (SOP) এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

রাজনৈতিক দলগুলোর অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল গত ৩১ জুলাই। তবে ৩১ জুলাই শুক্রবার হওয়ায় সময় বাড়িয়ে ২ আগস্ট পর্যন্ত রিপোর্ট গ্রহণ করা হয়েছে। কমিশনের মোট ৫৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩৮টি দল তাদের অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছে। এছাড়া ১৩টি দল সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে এবং বাকি আটটি দল এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া দেয়নি। যারা রিপোর্ট জমা দেয়নি বা সাড়া দেয়নি, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী যথাযথ নোটিশ প্রদান করা হবে।