সাইফুল ইসলাম রুদ্র নরসিংদী
নরসিংদী রায়পুরা মরজালে জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করে সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিতে রিকশা চালাচ্ছেন আসমা নামের এক নারী। স্বামী ছেড়ে যাওয়ার পর সন্তানদের লালন-পালনের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন তিনি। সংসারের নানা প্রতিকূলতা আর অভাব-অনটনের মধ্যেও থেমে নেই তাঁর জীবনসংগ্রাম।
সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে প্রতিদিন জীবিকার সন্ধানে বের হন আসমা। রিকশা চালিয়ে যা আয় করেন, তা দিয়েই সন্তানদের খাবার, পোশাক ও অন্যান্য প্রয়োজন মেটানোর চেষ্টা করেন। একজন মায়ের কাছে সন্তানদের মুখে হাসি ফোটানোই যেন তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।
সমাজে নারীদের নানা বাধা ও প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়। তার ওপর স্বামীর সহযোগিতা ছাড়া সন্তানদের নিয়ে জীবন চালানো আরও কঠিন। তবুও অসহায়ত্বের কাছে হার না মেনে নিজের পরিশ্রমকে অবলম্বন করে বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন আসমা।
আসমা বেগম সংবাদ কর্মী রুদ্রকে বলে এই জীবনসংগ্রাম শুধু একজন নারীর কষ্টের গল্প নয়, বরং এটি একজন মায়ের দায়িত্ববোধ, সাহস ও আত্মনির্ভরতার প্রতিচ্ছবি। তাঁর মতো অনেক নারীই প্রতিদিন নানা প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন দেখেন।
আসমার বেগম আরও বলেন জীবনসংগ্রামের গল্প সমাজের মানুষের মধ্যে মানবিকতা ও সহমর্মিতার বার্তা ছড়িয়ে দেয়। তাঁর পাশে দাঁড়াতে পারলে হয়তো সন্তানদের নিয়ে তাঁর জীবনযুদ্ধ কিছুটা সহজ হবে।
আসামা বেগম বলেন আমার বাবা ছিলেন একজন রিকশা মেকার বাবার মৃতুর পর আমার স্বামী আমার সন্তান ফেলে রেখে চলে যায়, সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতে ও সমাজের কটুকটি কথা মাথায় রেখে আজ বেটারী চালিত রিকশা চালাচ্ছি আমি।
আসমা বেগম একজন মা হার মানেন না—সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে নিজের কষ্টকেও জয় করার চেষ্টা করেন। আসমার জীবনসংগ্রাম যেন সেই কথাই আবারও মনে করিয়ে দেয়।















